দুটি কবিতা – উপেক্ষিতা

(এক) মন,তোর ঠিকানা টা দিবি?যাবো একদিন তোর বাড়ি।বসতে দিস দু’দণ্ড,কথা দিলাম;জ্বালাবো না বেশিক্ষণ।কথা দিলাম;একটি বারের জন্যও জিজ্ঞাসা করবো না…কেমন আছিস মন?কষ্ট পাস আজও?জানি প্রশ্ন গুলো তোকে দুমড়ে দেয়।তাই চুপটি করে বসবো শুধু,তোর পাশে…দুটো মুহুর্তদিবি!ঠিকানাটা? (দুই) রাজপথের ধারের ভিখারীটাআজ হাত পাতেনি।ওর ভেতরের রাজাটা বুঝিআজ উঠে দাঁড়িয়েছে!রাজার মতো…জীর্ণ বস্ত্র ছেড়ে আজ তাইপরিধানে তার পট্ট বস্ত্র;চোখের ধূসর সরে…

When I First Met Harry Potter! – DITHSA SANYAL

I checked myself before hitting my head on the desk. Professor Binns’ classes have always been the worst. Rubbing my eyes, I heard Professor McGonagall’s booming voice across our classroom. Suddenly wide awake, I caught the word…………”Harry Potter”??!!!  Why would the Headmistress mention ‘His’ name in this totally unexpected announcement in the middle of another…

দুটি কবিতা – রূপক বর্ধন রায়

ধর্ষক যতবার যুদ্ধ বুকে, প্রেমকে খোঁজোনি,হেসেছে ইতিহাস, তোমার পৌরুষ মানেনি।মৃত্যুর দোহাই দাও, ধর্ম-জাতেস্বভাবে ঘৃণাই খাও, অভাব ভাতের।তুমি তো রক্ত ঘাটো ভাবাদর্শ বুঝে,যে শেয়াল কাটে দেহ, সেও খাদ্য খোঁজে।ভেবেছ, পুরুষ তাই দেশ ধর্ম আগেমানুষী অশুচী, তাই ঘৃণা তার ভাগে।যাকে কাটো, ভগ্নপ্রায় নারী বা পুরুষ,শরীরে আলাদা শুধু, মননে মানুষ;যে তুমি নারী দেহে শত ক্ষত আঁকতে পারো,আছে দ্বেষ, ধর্ম দেশ নেই জেনো তোমারো।যে পুরুষ পিতৃতন্ত্রে নীরব দর্শকমুখোশে মানুষ সে, মননে ধর্ষক। শেষ মহীরূহ অন্তিম গাছটা;  অনন্ত মরুদ্যান রূখে দাঁড়িয়ে আছে ;বুড়িয়েছে কবিতার শহর, প্রাচীন অরণ্য ফুরিয়েছে।কবিতার আকাশেও মেঘ নেই, চড়ে শুধু ধোয়া;শেষ কবিতারও তাই শেষ গাছে এই চিঠি দেওয়া। হে মহীরূহ;তোমার  প্রশাখা জুড়ে যে প্রাণেরা বাসা বেধে ছিল,তোমার ছায়ায় শুয়ে যে কবিরা রাত্রি জেগেছে,তোমার শেকড় জুড়ে যে ধরণী প্রসবিনী হলতাদের দোহাই তুমি থামাও এ অন্তর্জলী,তাদের জন্য ফের কবিতাকে ভরো গাছে গাছে!এ পৃথিবী কবিতার, সবুজের, মানুষ তো অনুজীবী,অপত্য, অপক্ক মনে, বীজ বোনে শুধু  ক্ষমতার।তুমি তো আকাশমনা, বাৎসল্যে মেনে নাও সবই ,ওরা বোঝেনি শেষের কথা, বৃক্ষ-কবিতা সমতার।রুক্ষ কুঠারাঘাতে,  এক একটা যুদ্ধ মেয়াদে,কেড়েছে তোমার বন, পুড়িয়েছে নিজ নিজ গৃ্‌হ,মানুষ পূর্ণতা পাক; ভালবাসা, প্রেম, অনুভবে;শাসনে শুদ্ধ কর,  বেঁচে ওঠো শেষ মহীরুহ । 

উড়িষ্যা – সুকন্যা দত্ত

সপ্তসজ্জা_পাহাড়ের_গায়ে_মন_বেঁধেছে_বাস…“দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া,ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়াএকটি ধানের শিষের উপর একটি শিশির বিন্দু।” পাহাড়ী মোড়কে মুড়ে থাকতে দিব্য লাগে। এইতো কদিন আগেই বরফে শরীর ভিজিয়ে ফিরেছিলাম উত্তরাখন্ড থেকে। ফেরার স্বপ্ন কাটতে না কাটতেই আবার গিয়েছিলাম ছোটোনাগপুর মালভূমীয় সপ্তশয্যা পাহাড়ে। দিনটা ছিলো ২০১৯ সালের ৩১শে ডিসেম্বর।উড়িষ্যার ধেনকানাল জেলায় অবস্থিত সপ্তশয্যা। সপ্তশয্যার পথে যেতে লাল মাটির মোরাম…

দুটি কবিতা – সৌরসেনী চক্রবর্তী

‘দেশের নাম ইউটোপিয়া’ পৃথিবীর প্রান্তে প্রান্তরে সবুজের অভিলাষ,আকাশে নীলে হঠাৎ শরতের ইউটোপিয়ান গল্প;জানলার শার্সির প্রতিবিম্বরাআয়নার কাকচক্ষুর মত স্বচ্ছ;চিমনির কয়লার গুঁড়োতাকে কালচে ছোপের অনুশোচনা মাখায়নি।সে হলও আজ অনেকদিন,তবু গরাদের অনুভূমিক আবছায়াঅনন্ত দুপুরের আলোয়নির্ঘুমের পাঁচালী আওড়ায়;গরাদের খাঁজে নেই কোনোঘর্মাক্ত আঙুলছাপ।ছাপ এখন শুধুই পড়ে পথে,হাজার হাজার চিহ্ন আঁকে পা,পড়ন্তবেলার সবুজের অভিলাষেকেবল ভেসে বেড়ায় ঘরে ফেরার ডাক;ঘরে ফিরতে হবে;রেললাইনের…

‘ঠাকুর যা করেন, মঙ্গলের জন্যই করেন’ – বিশেষ সংখ্যা – শুভ্রদীপ ও নীলিমেশ

তখন লকডাউন সবে শুরু হয়েছে। প্রথম শনিবার।পাড়ায় যে শনি-কালী মন্দিরটা ছিল কাঁসর ঘন্টা বাজলো না। করোনা আর লকডাউনের কারণে মন্দির বন্ধ, শুধু মন্দির নয় পৃথিবীতে সব ধর্মীয় স্থানই ভক্তদের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হলো। সেই সময় মনে একটা অদ্ভূত অনুভূতি জেগেছিল। মনে হয়েছিল, তবে কি প্রকৃতি ঈশ্বরের চাইতেও বড়ো!ভাবতে গিয়ে দেখলাম আসলে প্রকৃতি’ই হলো ঈশ্বর।প্রাচীন…

‘গানগল্প’ – সম্পাদকীয়

চারিদিকে লকডাউন। এখন যদিও অনেকটাই শিথিল, তবু মানুষের ভীতি ও আশঙ্কা এতো সহজে দূর হওয়ার নয়। অধিকাংশ মানুষই এখনও বাড়িতেই আছেন। তাই এই পরিস্থিতিতে বাইরের জগতের সাথে গৃহবন্দী মানুষের যোগাযোগের একমাত্র অবলম্বন হচ্ছে ইন্টারনেট আর ছোটো করে বললে হাতের মুঠোফোনটাই এখন আমাদের সবচেয়ে কাছের বন্ধু। সেখানেই চলছে কাজ, গল্পগুজব, আড্ডা আর এখন তো এই ডিজিটাল মাধ্যমই…

আধুনিক বাংলা গানের বহমানতা – সোহম সিনহা

ঋত্বিক ঘটক, সলিল চৌধুরী, উৎপল দত্ত। সংস্কৃতির তিনটে ধারায় এই তিন বাঙালি ঠিক কতটা বিপজ্জনক কাজ করেছিলেন, তা ৭০-এর দশক থেকেই মোটামুটি পরিস্কার হয়ে যায়। ওনাদের সৃষ্টির মূলে যে অসন্তোষ, সে ধরণের কাজই আধুনিকতার সংজ্ঞা তৈরি করে, বারবার করেছে, সে আমরা যে যুগের দিকেই তাকাই না কেন। পৃথিবীর যে কোনো জায়গার যে কোনো আধুনিক শিল্প…

‘যেতে পারি কিন্তু কেন যাবো’ – শুভ্রদীপ

আজকালকার প্রজন্মের মানুষের কাছে ‘ডিপ্রেশন’ শব্দটি বহুল প্রচলিত। এই ডিপ্রেশনের সঠিক সংজ্ঞা বা ব্যাখ্যা আমাদের কাছে নেই। ছোটখাটো মন খারাপকেও আমরা ‘ডিপ্রেশন’ বলে চালিয়ে থাকি। কিন্তু, ডিপ্রেশন মানে কি শুধুই মন খারাপ, নাকি তার চেয়েও অনেক বড় কিছু বোঝা যায় এই চার অক্ষরের শব্দটির দ্বারা..? আমাদের মনের একটি জটিল স্তরে প্রবেশ করলে আমরা এই ডিপ্রেশনের…

আশার ‘আষাঢ়’ – সম্পাদকীয়

‘আষাঢ়স্য প্রথম দিবসে মেঘমাশ্লিষ্ট সানুং’ –আষাঢ়স্য প্রথম দিবসে বিরহ কাতর যক্ষ মেঘ’কে দূত করে অলকায় পাঠিয়েছিলেন তার প্রিয়ার কাছে। যক্ষের সে বিরহ বারতা মেঘদূত যেন সঞ্চারিত করে চলেছে প্রতিটি বিরহ কাতর চিত্তে, যুগ হতে যুগান্তরে।প্রাকৃতিক নিয়মে গ্রীষ্মের পর আষাঢ় আসার সাথে সাথেই বুক ফাটা ধরণী ভিজে ওঠে স্নিগ্ধতায়।নদীমাতৃক ভারতের নদী ভরে ওঠে, শ্যামল হয় বাংলার…